ছয় জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত

দেশের ছয় জেলায় আজ বৃহস্পতিবার পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক। এর মধ্যে ফেনীতে আটজন, ফরিদপুরে পাঁচজন, কিশোরগঞ্জে তিনজন, সিরাজগঞ্জে দুজন, ময়মনসিংহে দুজন ও গোপালগঞ্জে একজন নিহত হয়েছে।

ঢাকার বাইরে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

ওছমান হারুন মাহমুদ, ফেনী : ফেনী সদর উপজেলায় একটি পিকনিকের বাস রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আটজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ২০ জনের বেশি।

ফেনী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আওয়াল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে সদর উপজেলার লেমুয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।’

পর্যটকদের ওই বাসটি বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে ছেড়ে আসে। নারায়ণগঞ্জ থেকে তাতে বাবাকে নিয়ে ওঠেন আজম খান। জনপ্রতি তিন হাজার টাকায় প্যাকেজ ট্যুরে কক্সবাজার-বান্দরবান যাচ্ছিলেন তারা। কিন্তু এ আনন্দযাত্রায় আট সহযাত্রীর মৃত্যু দেখতে হয় ভাগ্যগুণে বেঁচে যাওয়া বাবা-ছেলেকে।




ভাগ্যবান আহত যাত্রী আজম জানান, তাঁর বাবা কবির আহম্মদ গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

আহত আরেক যাত্রী জানান, প্রতিবছর ঈদের পরে মিরপুর থেকে বিভিন্ন স্থানে আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন করেন মিল্লাত ক্যাম্পের সেলিমসহ আরো কয়েকজন উদ্যোক্তা। এবারও ১৫টির বেশি বাস মিরপুর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এর মধ্যে বহরে থাকা প্রাইম প্লাস পরিবহনের একটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

গাড়িতে থাকা নার্গিস নামে একজন জানান, তিনি তাঁর ভাইসহ ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন।

যাত্রী রুমা বেগম জানান, বুধবার রাত ২টার দিকে মিরপুর থেকে ১৫ জন যাত্রী ওঠেন। পরে নারায়ণগঞ্জের আদমজী থেকে আরো ৩০ যাত্রী যোগ দেন। ‘ভোর ৪টার দিকে মহাসড়কের পাশে নাস্তা করে গাড়ির যাত্রীরা ঘুমিয়ে যায়। এরপর কোনো এক মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনার আগে বিকট শব্দ শুনতে পাই।’

এ দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার রাধানগরের শাহাদাত হোসেন (৩০), মুন্সীগঞ্জের অপু (৩৫) ও সুজন মিয়া (২৮), ঢাকার মিরপুরের ইকবাল (৩৮) ও শামীম (৩০), মাদারীপুরের রিপন (৩০) এবং নারায়ণগঞ্জের মুন্না খান (৩০) ও ফয়সাল (১৫)।

ফয়সালের ভাই জাকের জানান, তাঁর ভাই স্থানীয় স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। বন্ধুদের সঙ্গে সে কক্সবাজার-বান্দরবানে আনন্দ ভ্রমণে যাচ্ছিল।

ফেনী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পরিচালক মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, হতাহতরা সবাই ঢাকার মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকার বাসিন্দা।

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাজমুল হক শাম্মী বলেন, এ ঘটনায় গুরুতর আহত ২০ জনকে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো ৩০ যাত্রী। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ভাঙ্গা বিশ্বরোডসংলগ্ন এলাকায় ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন নগরকান্দা উপজেলার রামনগর গ্রামের ধলা ফকিরের ছেলে বাসের চালক রওশন ফকির (৪৫) ও রাজবাড়ীর পাচুরিয়া গ্রামের লক্ষ্মণ কুণ্ডের স্ত্রী মিরা কুণ্ড (৬০)। পরে দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপর এক ব্যক্তি নিহত হন। তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন তৌহিদ আলম (২৮), আল আমিন (৩৫), শাহ আলম (৩২), মুন্নি (২২), সিয়াম (১০), সালমা বেগম (৪০), আসমা বেগম (৪১), জুঁই (৩০), রোজিনা (২৪), মনির হোসেন (৩৫), নিপু (২১), আবদুল্লাহ (৩২), ফারিহা (৩), শম্ভু (৩৫), শ্রেয় (১০), নিত্য (৪৮), মনিরা (৩৫), মামুন (২০), মৌসুমী (২২), মমতাজ (৪০), লিমা (১৯), লিয়াকত আলী (৪০), শাহিদা (৪০), মাশরাফি (১৩), নাসিমা (৪০), আমিন (৩৫), মিলন (৪০), হিল্লোল (৪০), এসআই পারভীন (৩৮) ও ভক্তি রানি (৪০)।

আহত ব্যক্তিদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর আহতদের জরুরি ভিত্তিতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান মিয়া জানান, রেফার্ড করা রোগীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দুর্ঘটনার পর সড়কের দুই প্রান্তে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে যায়। নিহত ও আহতদের উদ্ধার অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ স্থানীয়রা অংশ নেন।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুকতাদিরুল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ‘বরিশাল থেকে রংপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া তুহিন পরিবহন ভাঙ্গা বিশ্বরোড অতিক্রম করলে বিপরীত দিক থেকে আসা টেকেরহাটগামী রাজু এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি বাস অন্য বাসের অর্ধেক অংশে ঢুকে যায়। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধারের চেষ্টা করি। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় রাজু এন্টারপ্রাইজ বাসটি কেটে চালক রওশন ফকিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তুহিন পরিবহনের যাত্রী মিরা কুণ্ডের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপর এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।’

ইউএনও মুকতাদিরুল আহমেদ জানান, আহতদের উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নে চন্দ্রপাড়া বাবুরচর সড়কে কাচারীডাঙ্গি গ্রামের ঝুমুরের বাড়ির সামনে বিকেলে মোটরসাইকেল চাপায় আব্দুল ছত্তার মোল্যা (৩৮) নামের এক পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে আহত মোটরসাইকেলের চালক দেলোয়ার তালুকদারকে (৩০) উদ্ধার করে ঢাকায় নেওয়ার পথে রাতে তিনি মারা যান।

জানা গেছে, উপজেলার চরব্রাহ্মন্দী গ্রামের আমজাদ তালুকদারের ছেলে দেলোয়ার তালুকদার তাঁর দুই সহযোগীসহ বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাবুরচর বাজারের দিকে আসছিলেন। পথে বাবুরচর কাচারীডাঙ্গি গ্রামের ঝুমুরের বাড়ির সামনে ওই পথচারীকে চাপা দিলে এ ঘটনা ঘটে।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে কটিয়াদীর আচমিতা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সামনে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন মজুমদার জানান, যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি করিমগঞ্জের চামড়াবন্দর থেকে ভৈরবে যাচ্ছিল। কটিয়াদীর আচমিতা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

সংঘর্ষে চালকসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার সব যাত্রী গুরুতর আহত হন। অটোরিকশার চালকসহ দুই যাত্রীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত তিনজনের মধ্যে অটোরিকশার চালক জাহিদুল ইসলাম (৩০) করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা। অন্যরা হলেন তোফাজ্জল হোসেন (২২) ও ওমর ফারুক (২২)। তাঁদের বাড়ি ইটনা উপজেলার জয়সিদ্দি গ্রামে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে আহত চারজন হচ্ছেন আবদুল কাদির (৩০), পরিমল (২২), গিয়াস উদ্দিন (৪৫) ও সিরাজ উল্লাহ (৫০)। তাঁরাও জয়সিদ্দি গ্রামের বাসিন্দা।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার কোনাবাড়ীতে চারটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে কোনাবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়কে এই সংঘর্ষ বাধে।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর (ডব্লিউএইচআই) হা মীম জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা থেকে হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস উত্তরাঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। বাসটি কামারখন্দ উপজেলার কোনাবাড়ীতে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা ফাইভ স্টার পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে। এ সময় ফাইভ স্টার বাসের পেছনে থাকা এনা পরিবহন ও ডিপজল পরিবহনের আরো দুটি বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীসহ দুজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ শহীদ আলম জানান, চারটি বাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুজন নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ইমাদপুরে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শিশুটির মা, বোন, ফুপু ও দাদি।

নিহত দুজন হলেন সিরাজুল ও শেরপুরের কালিবাড়ী চেংগুরিয়া গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে জায়েদ হোসেন (৬)। আহত হয়েছেন মালেকের স্ত্রী কাজল বেগম (২৫), মা বেগম (৪৭), মেয়ে মুন্নী বেগম (৪) ও বোন তামান্না (২২)। হতহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। গুরুতর আহত তিনজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমারত হোসেন গাজী জানান, আজ দুপুরে ঢাকাগামী সোনার বাংলা পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু জায়েদের মৃত্যু হয়। আহত হয় পাঁচজন। তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিরাজুল নামের একজনের মৃত্যু হয়।

মাহবুব হোসেন সারমাত, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে তুহিন মোল্লা (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে তুহিনের স্ত্রী সাখি বেগম (৪০) মারাত্মক আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানী উপজেলার গোপালপুর নামক স্থানে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তুহিন মোল্লা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আছর আলী মোল্লার ছেলে।

কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আমিনুর রহমান জানান, তুহিন স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে গোপালগঞ্জ থেকে কাশিয়ানীতে যাচ্ছিলেন। গোপালপুরে বিপরীত দিক থেকে আসা মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তুহিন মারা যান। তাঁর আহত স্ত্রীকে উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *